কেমন আছো চন্দনী গাঁয়ের 'অঞ্জনা'?
পার্থ মুখোপাধ্যায়ঃ বাংলার প্রতিটি নদীর বাঁকে বাঁকে ছড়িয়ে রয়েছে মানুষের আনন্দ,উচ্ছ্বাস, হাসি, কান্না, দুঃখ, বেদনা। রবীন্দ্রনাথ গভীরভাবে তাঁর জীবনকে প্রকৃতির বিচিত্র রূপ, রং গন্ধের সঙ্গে মিলিয়ে দেখেছেন। এই জন্যই কবির সাহিত্যকর্মে নদী, পালতোলা নৌকা, নদীর ধারে সবুজ ফসলে ভরা খেত, ছোট ছোট ছেলেদের মাছ ধরা, মাছরাঙা পাখি হঠাৎ করে নদীর জলে লাফিয়ে পরা, পল্লীকুলোবধুর লজ্জা মিশ্রিত হাঁসি, নদীর ঘাটে স্নানরতা নারী, নৌকার মাঝিদের হাঁকাহাঁকি, বানের জলে প্লাবিত বাংলার গ্রামের চিত্র ও নদীর তীরবর্তী নিসর্গ এইসবই বারবার চিত্রিত হয়েছে তাঁর বিভিন্ন লেখায়। রবীন্দ্রনাথের জীবনে বাংলার নদ নদীর প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। জীবনের সঙ্গে নদীর প্রবাহ যেন মানব জীবনের প্রতিচ্ছবি। প্রকৃতি ও মানব জীবনের মধ্যে যে সাদৃশ্য আছে তা বারবার কবি সুনিপুণভাবে তাঁর ক্যানভাসে ফুটিয়ে তুলেছেন। গঙ্গা,পদ্মা, নাগর, বড়াল, ইছামতি, যমুনা, অঞ্জনা ইত্যাদি নদ নদীর নাম কবির বিভিন্ন লেখায় আমরা দেখতে পাই। কবির বিশাল সাহিত্য কর্মের মধ্যে এই বিষয়ে কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ ইত্যাদির সংখ্যা এতটাই বিস্তৃত যে এই স্বল্প পরিসরে উপস্থাপন...